শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা নারী চরিত্রে অভিনয় করে বলিউডে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। ‘পিঙ্ক’, ‘থাপ্পড়’, ‘বদলা’, ‘মুল্ক’ ও ‘হাসিন দিলরুবা’র মতো সিনেমায় ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তবে একই ধরনের চরিত্রে বারবার অভিনয় করতে চান না এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, বলিউডে অভিনেত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে আটকে রাখার প্রবণতা এখনও রয়েছে। ‘গ্ল্যামারাস’ চরিত্রের জন্য যেমন নির্দিষ্ট কয়েকজন অভিনেত্রীর কথা ভাবা হয়, তেমনি কঠিন কিংবা সামাজিক সমস্যাভিত্তিক চরিত্রের ক্ষেত্রেও নির্মাতাদের আলাদা একটি তালিকা থাকে।
এই ধরনের ‘টাইপকাস্টিং’-এর বিরুদ্ধেই তাপসীর আপত্তি। তার ভাষায়, সবাই নিজের সুবিধাজনক জায়গায় ফিরে যাচ্ছেন এবং পরীক্ষিত পদ্ধতিই অনুসরণ করছেন।
তাপসী জানান, কোনো সিনেমার গল্প বা চরিত্র পছন্দ না হলে শুধু সরাসরি ‘না’ বলেন না তিনি। বরং নির্মাতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, দর্শক যদি সিনেমার পরিণতি আগেই আঁচ করতে পারেন, তাহলে সেই ছবিতে তাকে নেওয়াও হয়তো নির্মাতাদের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত হবে না।
এমনকি কয়েকটি সিনেমায় নিজেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ‘ডি-সেল’ করেছেন বলেও জানান তাপসী। অর্থাৎ, নির্মাতারা যাতে তাকে ওই চরিত্রের জন্য বেছে না নেন, সে জন্য নিজের দিক থেকেই তাদের নিরুৎসাহিত করেছেন তিনি।
তবে তাপসীর এমন অবস্থানের পেছনে রয়েছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতাও। তার দাবি, বলিউডে পা রাখার সময় তথাকথিত নায়িকাকেন্দ্রিক পরিচিত চরিত্রের সুযোগ তার সামনে খুব বেশি ছিল না। ফলে তুলনামূলকভাবে কঠিন ও ভিন্নধর্মী চরিত্রই বেছে নিতে হয়েছিল তাকে।
পরবর্তী সময়ে সেই সিনেমাগুলো জনপ্রিয় হওয়ায় শক্তিশালী নারী চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী হিসেবে তার পরিচিতি আরও দৃঢ় হয়।
এ প্রসঙ্গে তাপসী বলেন, এটা অনেকটা তুষারগোলকের মতো। ক্যারিয়ারের শুরুতে নিয়মমাফিক, চেনা ছকের চরিত্রের কোনো বিকল্প আমার সামনে ছিল না। তাই অন্য ধরনের চরিত্র বেছে নিয়েছিলাম। ভাগ্যক্রমে সেই ছবি ও চরিত্রগুলিই পরে মূলধারায় জায়গা করে নেয়।
তাপসীর মতে, একই ধরনের চরিত্রে পরপর অভিনয় করা মানসিকভাবেও স্বাস্থ্যকর নয়। তাই এখন চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও বেশি বৈচিত্র্য চান তিনি। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘খেল খেল মে’র মতো হালকা মেজাজের ও মজার সিনেমাতেও অভিনয় করতে আগ্রহী তিনি।
এদিকে বর্তমানে তাপসীর ব্যস্ততা তার নতুন সিনেমা ‘গান্ধারী’ নিয়ে। নেটফ্লিক্সে ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তির কথা রয়েছে সিনেমাটির। এতে বাণী চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। গল্পে বাণী এমন এক মা, যার মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য এরপর এক বিপজ্জনক ও নিরলস অভিযানে নামে সে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, বলিউডে অভিনেত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে আটকে রাখার প্রবণতা এখনও রয়েছে। ‘গ্ল্যামারাস’ চরিত্রের জন্য যেমন নির্দিষ্ট কয়েকজন অভিনেত্রীর কথা ভাবা হয়, তেমনি কঠিন কিংবা সামাজিক সমস্যাভিত্তিক চরিত্রের ক্ষেত্রেও নির্মাতাদের আলাদা একটি তালিকা থাকে।
এই ধরনের ‘টাইপকাস্টিং’-এর বিরুদ্ধেই তাপসীর আপত্তি। তার ভাষায়, সবাই নিজের সুবিধাজনক জায়গায় ফিরে যাচ্ছেন এবং পরীক্ষিত পদ্ধতিই অনুসরণ করছেন।
তাপসী জানান, কোনো সিনেমার গল্প বা চরিত্র পছন্দ না হলে শুধু সরাসরি ‘না’ বলেন না তিনি। বরং নির্মাতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, দর্শক যদি সিনেমার পরিণতি আগেই আঁচ করতে পারেন, তাহলে সেই ছবিতে তাকে নেওয়াও হয়তো নির্মাতাদের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত হবে না।
এমনকি কয়েকটি সিনেমায় নিজেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ‘ডি-সেল’ করেছেন বলেও জানান তাপসী। অর্থাৎ, নির্মাতারা যাতে তাকে ওই চরিত্রের জন্য বেছে না নেন, সে জন্য নিজের দিক থেকেই তাদের নিরুৎসাহিত করেছেন তিনি।
তবে তাপসীর এমন অবস্থানের পেছনে রয়েছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতাও। তার দাবি, বলিউডে পা রাখার সময় তথাকথিত নায়িকাকেন্দ্রিক পরিচিত চরিত্রের সুযোগ তার সামনে খুব বেশি ছিল না। ফলে তুলনামূলকভাবে কঠিন ও ভিন্নধর্মী চরিত্রই বেছে নিতে হয়েছিল তাকে।
পরবর্তী সময়ে সেই সিনেমাগুলো জনপ্রিয় হওয়ায় শক্তিশালী নারী চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী হিসেবে তার পরিচিতি আরও দৃঢ় হয়।
এ প্রসঙ্গে তাপসী বলেন, এটা অনেকটা তুষারগোলকের মতো। ক্যারিয়ারের শুরুতে নিয়মমাফিক, চেনা ছকের চরিত্রের কোনো বিকল্প আমার সামনে ছিল না। তাই অন্য ধরনের চরিত্র বেছে নিয়েছিলাম। ভাগ্যক্রমে সেই ছবি ও চরিত্রগুলিই পরে মূলধারায় জায়গা করে নেয়।
তাপসীর মতে, একই ধরনের চরিত্রে পরপর অভিনয় করা মানসিকভাবেও স্বাস্থ্যকর নয়। তাই এখন চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও বেশি বৈচিত্র্য চান তিনি। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘খেল খেল মে’র মতো হালকা মেজাজের ও মজার সিনেমাতেও অভিনয় করতে আগ্রহী তিনি।
এদিকে বর্তমানে তাপসীর ব্যস্ততা তার নতুন সিনেমা ‘গান্ধারী’ নিয়ে। নেটফ্লিক্সে ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তির কথা রয়েছে সিনেমাটির। এতে বাণী চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। গল্পে বাণী এমন এক মা, যার মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য এরপর এক বিপজ্জনক ও নিরলস অভিযানে নামে সে।
বিনোদন ডেস্ক